Borhan IT https://www.borhanit.com/2021/02/university-admission.html

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি | ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১

ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ এর পরীক্ষা পদ্ধতির সমস্ত নিয়ম এবং ইতোমধ্যে যেসকল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে তাদের সর্বশেষ তথ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে আমাদের আজকের পোষ্ট। অন্যদিকে পরীক্ষা আসন্ন। তাই কম সময়ে সঠিক প্রস্তুতি নিতে থাকছে সঠিক গাইডলাইনও। তাই বিস্তারিত জানতে পড়তে থাকুন কিভাবে অল্প সময়ে গুছিয়ে নিতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি ও করোনা মহামারি

বর্তমান করোনা মহামারিতে সবচেয়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে করোনা মোকাবিলা করে কিভাবে স্বাভাবিক হবে শিক্ষা ব্যবস্থা ? কিভাবেই বা খুলবে স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি? আর কিভাবেই বা সম্পন্ন হবে বিগত সব অপেক্ষমান পরীক্ষা আর মুখ্য বিষয় ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১? আমরা প্রতিবছরেই দেখি আসছি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা মানেই শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের মনে চলে এক দুঃচিন্তা এবং শিক্ষার্থীদের অদূর ভবিষ্যত গড়ার জন্য অবিরাম পরিশ্রম।

ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১

শিক্ষার্থী তুলনায় আসন সংখ্যা কম থাকায় এখানে দেখা যায় এক তুমূল লড়াই, সৃষ্টি হয় নানা ভোগান্তির। তবে এই বছরেরে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ সেশনের শিক্ষার্থী রা রয়েছে সব থেকে বেশি উদ্বেগ এবং অনিশ্চয়তায়;অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি নিয়ে রয়েছে ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে ভীতি। তাই আমাদের ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ সেশনের শিক্ষার্থী বন্ধুদের জন্য তাদের আসন্ন ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি বিষয়ে আমাদের আজকের এই লেখা।

ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ পদ্ধতি

গত বছর করোনা মহামারি তে স্থবির হয়ে পড়ে দেশের সাধারণ জনজীবন। ধিরে ধিরে জন জীবন স্বাভাবিক হলেও স্বাভাবিক হয়নি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। যার জন্য ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ এর জন্য নানা সময় সরকার নানা সিদ্ধান্ত নিলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আসেনি সমঝোতায়। শেষ পর্যন্ত আসা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট ২৬ টি পাব্লিক এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা এ বছর শুরু হতে যাচ্ছে গুচ্ছ পদ্ধতিতে। 

উচ্চমাধ্যমিক সিলেবাসে উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হবে সমস্ত প্রশ্নপত্র। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে চলছে প্রস্তুতি এবং নানান আলোচনা ও মত বিনিময়। ইউজিসি কে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা জানান, গুচ্ছ পদ্ধতিতে  বিজ্ঞান, মানবিক  বাণিজ্য - এ তিনটি বিষয়বস্তুর ওপর স্বাভাবিক ভাবে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্দান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কিভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে জানতে চাইলে তারা বলেন, পরীক্ষা হবে সরাসরি,‌ কোন অনলাইনের মাধ্যমে নয়।


সাধারণ পাব্লিক এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সাথে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হয়েছে বলে সর্বশেষ জানা যায়। ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহর নেতৃত্ত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় ইউজিসির অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ ও অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ পরীক্ষা গ্রহণের ধারণা

গত বছরে ৭ টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও অন্যান্য পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয় এতে দ্বিমত পোষণ করে। ফলে ২০১৯ সালের ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা হয় নিজ নিজ ভাবেই। পরবর্তীতে গত ২৬ শে ফেব্রুয়ারি এক সিদ্ধান্তে সমস্ত পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয় এ ৩টি গুচ্ছে আলাদা ভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে ঠিক করা হয়। 

কিন্তু মহামারির জন্য আটকে যায় উচ্চ মাধ্যমিক সহ আরো অন্যান্য পরীক্ষাও। তাই নতুন করে আরো ১৯ টি বিশ্ববিদ্যালয় সহ মোট ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় এই পদ্ধতি অনুসারে পরীক্ষা নিবে। তবে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় গুলো এখনো তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাই নি। 

এই দ্বিমতের জন্য উপরক্ত ৩টি ভাগে পরীক্ষা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে-
  • সমন্বিত পাবলিক এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 
  • সমন্বিত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
  • সমন্বিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
অর্থাৎ, সমন্বিত পাবলিক এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ ৩টি আলাদা বিভাগের জন্য আলাদা ১ টি করে ৩ টি সমন্বিত পরীক্ষা; সমন্বিত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ জন্যে ১টি পরীক্ষা(আনুমানিক); কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ এর জন্যে ১টি সমন্বিত পরীক্ষা হবে ।

যে যে বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ গ্রহন করবে

১. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
২. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
৩. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
৪. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
৫. কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
৬. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
৭. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
৮. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
৯. বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়
১০. শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়
১১. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১২. হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৩. মাওলানা ভাষানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৪. নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৫. যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৬. পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৭. বঙ্গবন্ধু শেখ মুবিজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৮. রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৯. ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহঃ

২০. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
২১. শেখ মুজিব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
২২. শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
২৩. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
২৪. পটুয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২৫. খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
২৬. হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

সুত্রঃ ইউজিসি (১-১২-২০২০)

সমন্বিত পদ্ধতিতে কারা ভার্সিটি পরীক্ষা ২০২১ দিতে পারবে? 

ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ সমন্বিত পদ্ধতিতে কারা পরীক্ষা দিতে পারবে; কিভাবে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবে সেই নিয়ে অনেক শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের মনে  অনেক প্রশ্ন আসছে। বাংলাদেশের প্রথম সারির সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে সবার পড়ার জন্য আগ্রহ যেমন বেশি তেমন প্রতিযোগতাও বেশি। তাই এই বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে কিভাবে চান্স পাওয়া যাবে তাই নিয়ে সবাই প্রশ্ন তুলছে্ন। 


আবার ২০১৯ সালের অনেক শিক্ষার্থী সেকেন্ড টাইমার হিসেবেও দিন গুনছেন পরিক্ষা দেওয়ার জন্য। তাদের জন্যই বা কি করা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে? নতুন ঘোষণাতে পাওয়া গেছে, ২০১৯ ও ২০২০ সালের উত্তর্ণী সকল শিক্ষার্থী তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে।তবে তারা সমন্বিত পরীক্ষাত পাশ করার পরে সেকেন্ড টাইমার শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

স্বতন্ত্র ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ ঘোষণা যারা দিয়েছে

উল্লেখ্য যে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায় কোন সেকেন্ড টাইমার গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সেকেন্ড টাইমার দের জন্য অন্যান্য সকল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি গ্রহণ করায় শ্রেয়। অন্যদিকে প্রধান ৪ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সমুহ সহ বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি সহমত জানালেও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এতে দ্বিমত পোষণ করে। অন্যদিকে আইইউটি এবং  ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) স্বতন্ত্রভাবেই তাদের নিজ নিজ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এবং সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণাধীন মিলিটারী ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনলোজি (এমআইএসটি/মিস্ট) ও তাদের সতন্ত্র পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।


ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ আবেদনের যোগ্যতাঃ

ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ তে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ২০১৯ বা ২০২০ সালে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য এসএসসি ও এইচএসসিতে সর্বমোট ও সর্বনিম্ন জিপিএ ৭.০০ অবশ্যই থাকতে হবে এবং কোনটিতে জিপিএ ৩.০০ এর নিচে থাকা যাবে না। 


ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য এসএসসি ও এইচএসসিতে মোট সর্বনিম্ন জিপিএ ৬.৫ থাকতে হবে এবং কোনটিতে জিপিএ ৩.০০ এর কম হলে অংশ নেওয়া হবে না।

মানবিক ওয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি ও এইচএসসিতে মোট সর্বনিম্ন জিপিএ ৬.০০ থাকা বাধ্যতামূলক এবং কোনটিতে জিপিএ ৩.০০ এর কম গ্রহণীয় নয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যেকোন সময়  এই নিয়ম পরিবর্তন করতে পারে।

ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ এর নম্বর বন্টন:

ইউজিসির সিদ্ধান্ত মতে এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে মোট ১০০ নাম্বারের সমন্বিত গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহন করা হবে। বিভাগ ও বিষয় অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষার নাম্বার বন্টন দেওয়া হলো-

বিষয়

বিজ্ঞান

ব্যবসায়

মানবিক

বাংলা

X

X

৪০

ইংরেজি

X

X

৩৫

আইসিটি

২০ (ঐচ্ছিক)

২৫

২৫

হিসাব বিজ্ঞান

X

২৫

X

ব্যবসায় সংগঠন ব্যবস্থাপনা

X

২৫

X

ভাষা (বাংলা ইংরেজি)

২০ (১০+১০)

২৫ (১৩+১২)

X

পদার্থ

২০

X

X

রসায়ন

২০

X

X

গণিত

২০ (ঐচ্ছিক)

X

X

জীববিজ্ঞান

২০ (ঐচ্ছিক)

X

X

মোট নাম্বার

১০০

১০০

১০০


উল্লেখ্য যে, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দ মতো ৩টি ঐচ্ছিক বিষয়ের মধ্য থেকে যেকোন ২ টির উত্তর দিতে হবে।

ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১- মেডিকেল (এমবিবিএস):

অন্যান্য  ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ এর মতো এবারেও ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের সকল সরকারী ও বেসরকারী মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ স্বাস্থ্য      অধিদপ্তর এর dghs.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। 

মেডিকেল কলেজ ভর্তির বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করুন

মেডিকেল কলেজ ভর্তির অনলাইন আবেদন করুন

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম আহসান হাবীব প্রণোদিত সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইনে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে এবং আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হবে ১ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে। আগামী ২ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল কেন্দ্রে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।"

"বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক শিক্ষার্থী যারা ২০১৭ বা ২০১৮ সনে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং  ২০১৯ বা ২০২০সনে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন এবং জীববিদ্যাসহ মোট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা মেডিকেল ভর্তির আবেদন করার জন্য যােগ্য বলে বিবেচিত হবেন। ২০১৭ সনের পূর্বে এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা আবেদনের যােগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।"


সেখানে আরো বলা হয়,"বাংলাদেশি নাগরিক যারা বিদেশি শিক্ষা ("ও" লেভেল "এ" লেভেল)কার্যক্রমে  এসএসসি/এইচএসসি সমমানের পরিক্ষায় উত্তীর্ণ তাদের মার্কশীট সমূহ বাংলাদেশে প্রচলিত জিপিএ তে রূপান্তর করে সমমানের সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার পর অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে তাদের পরিচালক চিকিৎসা শিক্ষা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা বরাবর ২০০০/- (দুই হাজার) টাকার ব্যাংক ড্রাফট/পে অর্ডারসহ আবেদন করে জিপিএ তে রূপান্তর করে সমমানের সার্টিফিকেট সংগ্রহের সময় আইডি নম্বর নিতে হবে।সমমানের সার্টিফিকেট সংগ্রহের সময় এসএসসি সনদপত্রের সত্যায়িত কপি সঙ্গে আনতে হবে।


মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী/পার্বত্য জেলার অ-উপজাতি কোটায় আবেদনকারীদের যথাক্রমে মুক্তিযোদ্ধা ও উপজাতি/পার্বত্য জেলার অ-উপজাতীয় সনদের স্মারক নম্বর বা সনদ নম্বর ও তারিখ অনলাইনে আবেদনের এন্ট্রি করতে হবে, স্মারক নম্বর বা সনদ নম্বর ও তারিখ ছাড়া কোটাসমূহ অনলাইন এন্ট্রি হবে না।"

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর 

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১-এর (মেডিকেল) ন্যূনতম যোগ্যতাঃ

পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতার জন্য শিক্ষার্থীর দেশে অথবা বিদেশে পরিচালিত শিক্ষা কার্যক্রমে এসএসসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৯ থাকতে হবে। কিন্তু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পার্বত্য জেলার পরীক্ষার্থীদের জন্য এক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৮ হতে হবে। অন্যান্য দের জন্য এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানে আলাদা ভাবে ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে। 

মানবণ্টনঃ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি

পরীক্ষা মোট ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ করে এবং ১ টি ভুল উত্তরের জন্য অতিরিক্ত করে ০.২৫ করে কেটে নেওয়া হবে। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরে সাথে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ ২০০ নম্বর হিসাব করে ফলাফল মূল্যায়ন করা হবে। এর মধ্যে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ x ১৫ সমান ৭৫ নম্বর এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ x ২৫ সমান ১২৫ নম্বর থাকবে। এরপর সর্বমোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে।

সেকেন্ড টাইমার দের জন মোট নম্বর থেকে ৫ এবং বিভিন্ন মেডিকেল এ অধ্যয়নরত দের কেউ পরীক্ষা দিলে তাদের মোট নম্বর থেলে ৭.৫ করে কেটে নেওয়া হবে।

১০০  নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নের ১ ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষার মানবণ্টনঃ

বিষয়ের নাম

নম্বর

জীববিজ্ঞান

৩০

রসায়ন

২৫

পদার্থ

২০

ইংরেজি

১৫

বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী

মোট নম্বর

১০০

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ঃ


আবেদন শুরু: ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১    

আবেদন শেষ০১ মার্চ ২০২১  

ভর্তি পরিক্ষার ফি: ১০০০ টাকা 

ভর্তি পরিক্ষার তারিখ: ০২ এপ্রিল ২০২১ 

প্রবেশপত্র ডাউনেলোডের শেষ তারিখ: ২০ মার্চ ২০২১ 

ফলাফল প্রকাশের তারিখ: পরবর্তীতে জানানো হবে

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: dghs.gov.bd 

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতিঃ

বাংলাদেশের প্রক্ষাপটে ভর্তিপরীক্ষা মানে এক অন্য রকমের যুদ্ধে। কারো মুখে দেখা যায় বিজয়ের হাসি আবার কোথাও দুঃচিন্তার ছাপ। অনেক কষ্ট, অনেক চেষ্টার ফলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছানোর পরে যখন বিজয়ের হাসি ফুটে উঠে শিক্ষার্থী এবং অবিভাবক দের মুখে তখন সেই মুহুর্ত হয়ে উঠে বর্ণনাতীত।আর এই বিজয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি টাও হওয়া চাই ভালো এবং লক্ষ্যবদ্ধ। সঠিক জায়গা এবং লক্ষ নির্ধারন করে সেই মোতাবেক নিয়মিত অধ্যয়নের কোন বিকল্প নেই। 

আবার প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায় কোন সেকেন্ড টাইমার গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সেকেন্ড টাইমার দের ভিড় নেই এসব জায়গার জন্য ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ এর সকল শিক্ষার্থীদের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি গ্রহণ করলে চান্স পাওয়া সহজ হবে। এছাড়া নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে  বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি গ্রহন করা যেতে পারে-

১.  করোনা মহামারিতে অনেক সময় ব্যয় হলেও এই সমইটাই যারা ভাল ভাবে অধ্যয়ন করেছেন তারা অনে এগিয়ে গেছেন সবার থেকে; যদিও বিষয়টা সহজ ছিল না।

২. যেহেত এবার শিক্ষার্থীরা পূর্বের ন্যায় কোচিং বা এক্সট্রা কেয়ারের সুযোগ পাইনি তাই যারা বাসায় বসে বই কে খুব ভাল ভাবে রপ্ত করার কন বিকল্প নেই।

৩. যদিও বা অনেক কোচিং অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা রাখলেও তাতে সবাই সমান ভাবে শিখতে পারবে না, তাই যার যে বিষয়ে দুর্বলতা আছে তাদের সেই বিষয়ে বেশি যত্নশীল হতে হবে এতে করে দুর্বলতা অনেকাংশে কেটে যেতে পারে। 

৪.আশে পাশে বা নিজের বড় ভাই বোন দের কাছে থেকে অনেক বিষয় বুঝিয়ে নেওয়া যেতে পারে যদি তারা সেই বিষয়ে দক্ষ হইয়ে থাকে।

৫. কঠিন কঠিন বানান বা অংক কে বেশি বেশি করে খাতায় লিখতে হবে এতে করে এমসিকিউ তে  বানান চিনতে সুবিধা হবে। 

৬. নতুন করে কিছু পড়ার মত সময় তেমন আর নাই যেহেতুন অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যেই প্রকাশ হতে শুরু করেছে তাই আগের পরা গুলকেই বার বার রিভাইজ দেওয়া টাই বুদ্ধিমানের কাজ।

৭. অতিরিক্ত চিন্তা করা যাবে না। কাটিং মার্ক বা ইন্ডিভিজুয়াল ভাবে কোন কোন সাব্জেক্টে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কি কি নিয়ম তা আগেই জেনে নিতে হবে।

৮. নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কেও এসময়ে সচেতন থাকাটা সবথেকে জরুরি।করোনা মহামারি তার উপরে অনেকটাই ঋতু পরিবর্তনের সময়। এ সময় নিয়মিত ঘুম আর হাল্কা ব্যায়াম সাথে সুষম খাদ্যের অভ্যাস করতে হবে।

৯. সর্বোপরি নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর বিশ্বাস রেখে সৃষ্টিকর্তাকে স্বরণ করে বার বার গুরুত্বপূর্ণ অংশ গুলোকে রিভাইজ করে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই।

করোনা সংক্রমণের জন্য যেমন সব স্বাভাবিক অবস্থার ব্যাঘাত ঘটেছে তেমনি ঘটেছে শিক্ষা ব্যবস্থাতেও। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি সঠিক উপায়ে নিতে আমাদের সকলকে সচেতন এবং দায়িত্বশীল হতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতিঃ কি কি নিতে হবে এবং করনীয়

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি এর মধ্যে এটাও একটা গুরুত্বপুর্ন অংশ। কেননা আসল জিনিস না নিয়ে গেলে পরিক্ষাটায় হয়ে যাবে বৃথা। তাই পরিক্ষার দিন কি কি নিয়ে যেতে হবে তা যেন আগে থেকেই ঠিক থাকে, তাকে বলা যায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি এর একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যা যা লাগবে-

১. উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রেজিট্রেশুন ও রোল নাম্বারের মূল কপি। অনেক জায়গায় মাধ্যমিক এর ও দেখতে চায় তাই সাথে রাখা ভাল।

২. এডমিশনের এডমিট কার্ড। ২ কপি রাখা ভাল। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা নেয়।

৩. ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ কালারফুল ছবি। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা নেয়।

৪. প্রয়োজন মত কলম, পেন্সিল, রাবার। তবে অতিরিক্ত না নেওায় ভাল।

৫.স্বচ্ছ ফাইল। অনেকে এলাউ করে না। এমনকি পেন ব্যাগ ও না।

৬. যেহেতু করোনা সময় তাই সাথে এক্সট্রা একটি মাস্ক ও মিনি সানিটাইজার এর বোতল সাথে রাখা যেতে পারে।

৭. সাথে একটি পানির বোতল রাখা যেতে পারে। খুব সমস্যা না হলে না নেওয়ায় ভালো।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি অন্যান্য স্বাভাবিক বারের তুলনায় আলাদা। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি সিস্টেমেটিক উপায়ে নিতে পারলে এটা হবে অনেক গোছানো এবং সুন্দর। 

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি | ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ২০২১ 

মনকে ভাল রাখা, শরীর কে সতেজ রাখার মাধ্যমে অনেক ভাল ভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। তাই সল্প সময় এ অনেক ভাল ভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২০২১ প্রস্তুতি নিতে নিজেকে সুস্থ রাখার কোন জুড়ি নেই।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া